• ঢাকা
  • সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.

টাঙ্গাইলে উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা নূরনবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | স্টাফ রিপোর্টার জুলাই ২৭, ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম টাঙ্গাইলে উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা নূরনবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অফিসের গোপন তথ্য বাইরে পাচারসহ নানা অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা নূরনবীর বিরুদ্ধে।
নূরনবীর এমন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আসাদুল নামে এক ব্যক্তি। 
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১১ এপ্রিল দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন নূরনবী। কিছুদিন পর থেকেই জড়িয়ে পড়েন নানা অনিয়মে। চাকরির পাশাপাশি মেয়ে তাসফিয়ার নামে গড়ে তোলেন তাসফিয়া এন্টারপ্রাইজ নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে ঠিকাদারদের সরবরাহ করেন নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী। শুধু তাই নয়, ঠিকাদারদের কাছ থেকে গ্রহণ করেন কাজের কমিশন। স্থানীয় লিটন মেম্বারের কাছ থেকে বালুর কমিশন, রুবেল মিস্ত্রি ও কালাম মিস্ত্রির কাছ থেকে সরকারি কনস্ট্রাকশনের কমিশনের টাকাও যাচ্ছে নূরনবীর পকেটে। এভাবে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। 
এদিকে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন কাজের অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ারও অভিযোগও রয়েছে নূরনবীর বিরুদ্ধে। এতে করে হুমকির মুখে পড়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রম। প্রায় সাড়ে ৪ বছর ধরে একই স্থানে চাকরি করায় পুরো উপজেলায় গড়ে তুলেছেন অনিয়মের সিন্ডিকেট।
শুধু তাই নয়, অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পত্তির মালিক বনে গেছেন এই নূরনবী। নিজ নামে, আত্মীয়স্বজনের নামে ও স্ত্রীর নামে কিনেছেন ফ্ল্যাট ও জমি। স্ত্রীর নামে উপজেলার গড়াসিন ও নাল্লাপাড়া এলাকায় কিনেছেন জমি, গড়ে তুলেছেন দোকানপাট। আটিয়ার ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নূরনবীর জমিসংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করছেন বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, নূরনবীর অনিয়ম ও দুর্নীতি উপজেলার প্রায় সবাই জানে। তবে কেউ সরাসরি মুখ খুলতে চান না। কমিশন বাণিজ্য, আলাদা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে সিন্ডিকেট তৈরি, গোপনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অনিয়মকে প্রশ্রয় দিয়ে মাসোহারা গ্রহণ, অফিসের গোপন নথিপত্র বাইরে সরবরাহের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন এই নূরনবী। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা নূরনবী বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়। আমি এ ধরনের কাজের সাথে জড়িত নই।
ইউএনও জোহরা সুলতানা যূথী বলেন, এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

Side banner 1 Side banner 2