• ঢাকা
  • রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.

কে হবে পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান?


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | স্টাফ রিপোর্টার আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১২:১৭ পিএম কে হবে পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান?

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইউনিয়ন হলো পাহাড়িয়াকান্দি। কৃষি প্রধান এই ইউনিয়নের আয়তন ৮.২৭ বর্গ কিলোমিটার। জয়কালীপুর, ডোমরাকান্দি, উলুকান্দি, কলাকান্দি, বড়কান্দি, হিজুলিয়াকান্দি, পাহাড়িয়াকান্দি, মুন্সিনগর নিয়ে গঠিত পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নে অনেক কৃতি সন্তানের জন্ম হয়েছে। এদের মধ্যে আব্দুল খালেক, আলহাজ্ব আবুল হাসেম, মো. মোফাক্কের, মো. মোজাক্কের, মো. মোয়াত্ত্বের, মো. মোবাশ্বের, প্রফেসর জুনাইদ, প্রফেসর নোমান, ডাক্তার মো. জালালউদ্দিন আহাম্মেদ, এ্যাডভোকেট মো. মোসাহেদ, আবদুল গণি তালুকদার অন্যতম। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার অন্যতম পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন এক সময় বৃহত্তর তেজখালি ইউনিয়নের একটি অংশ ছিল। তখন চেয়ারম্যান হিসেবে ছিলেন পাহাড়িয়াকান্দির বড়বাড়ির মহিউদ্দিন তালুকদার। তিনি মরহুম আবদুল গণি তালুকদার চেয়ারম্যানের পিতা ছিলেন। পরবর্তীতে তেজখালী ইউনিয়ন বিভক্ত করে ১নং তেজখালী ও ২নং পাহাড়িয়াকান্দি ইডনিয়নে বিভক্ত করা হয়। মেঘনার তীরে অবস্থিত এই ইউনিয়নটি ইতিহাসে সমৃদ্ধ। অনেক সূফী সম্রাট ও বাউলের জন্মভূমি এই এলাকায়। এক সময়ের প্রমত্তা মেঘনা পাশ ঘিরে জেগে উঠা বাঞ্ছারামপুর জনপদের সবচেয়ে পুরাতন জনপদ পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও  রূপ লাবণ্যে এক অপূর্ব লীলাভূমি পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন। যার পাশ দিয়ে মেঘনা সহ বয়ে গেছে তিতাস নদীর শাখা নদ। এই ইউনিয়নে অবস্থিত বাঞ্ছারামপুরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিল চন্দন বিল। যার খ্যাতি দেশ জুড়ে বিস্তৃত। পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নে বর্তমানে শিক্ষার হার ৮০%। এখানে ৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪টি বেসরকারি ও ১টি উচ্চ বিদ্যালয় আছে। ইউনিয়নে ২৪টি মসজিদ, ২টি মাদ্রাসা, ৮টি কবরস্থান, ৪টি ঈদগাহ, ১টি চিতাশাল রয়েছে। পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নে ১ জন চেয়ারম্যান, ৩ জন নির্বাচিত মহিলা সদস্য, ৯ জন নির্বাচিত পুরুষ সদস্য, ১ জন ইউনিয়ন পরিষদ সচিব, ২ জন উদ্যোক্তা ও ৯ জন ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশ এলাকাবাসী সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। 


এই ইউনিয়নে মো. জালাল আহমেদ তালুকদার ১৯৮৪-১৯৮৮, আবদুল  গণি তালুকদার ১৯৮৮-১৯৯২, আবদুল গণি তালুকদার ১৯৯২-১৯৯৮, আবদুল গণি তালুকদার ১৯৯৮-২০০৩, আবদুল গণি তালুকদার ২০০৩-২০১১, আবদুল গণি তালুকদার ২০১১-২০১৬ সাল পর্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ব্যানারে নৌকা মার্কা প্রতীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন গাজীউর রহমান। 


২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর উপজেলার অন্যান্য ইউপি চেয়ারম্যানের মতো গাজীউর রহমানও গা ঢাকা দেন। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, সময় ও সুযোগ পেলে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করবেন তিনি।

গাজীউর রহমান ছাড়াও এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন আনোয়ার হোসেন তালুকদার পিন্টু, জামায়াতের এনামুল হক, বিএনপির পায়েল তালুকদার, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সবুজ, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন বাদল তালুকদার ও মো. জাকির হোসেন।


সাধারণ সদস্য পদে রানু বেগম, আব্দুল আজিজ, আবু ছালাম, আমির হোসেন রাজা মিয়া ও নজরুল ইসলামও প্রার্থী হতে পারেন। 

Side banner 1 Side banner 2