ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন হলো মানিকপুর। এই ইউনিয়নে বৈজ্ঞানিক এম এ জাহের, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল, ডক্টর তাহেরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার মো. আশরাফুল ইসলাম, আবদুল আউয়াল মাস্টার, মোসলেউদ্দিন আহমেদ, এ এস এম এ্যাডভোকেট গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ, আফতাবউদ্দিন আহমেদ, এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান বাদল, শিক্ষাবিদ সুরাইয়া বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রহিম চেয়ারম্যান সহ দেশবরেণ্য অগণিত কৃতি সন্তানের জন্ম হয়েছে।

৩,২৫২ একর বা ১৩.১৬ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের মানিকপুর ইউনিয়ন একসময় উজানচর ইউনিয়নের আওতায় ছিল। কৃষি ও মৎস প্রধান অঞ্চল হিসেবে পরিচিত মানিকপুর ইউনিয়নের গ্রামগুলো হলো বাহেরচর, মায়ারামপুর, উলুকান্দি, মানিকপুর ও কল্যাণপুর। এখানে ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম কলেজ, বাহেরচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় সহ ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬টি কবরস্থান, ৬টি ঈদগাহ ও ৫১টি মসজিদ এবং ১টি চিতাশাল আছে।

মেঘনা ও তিতাস নদীর পাশাপাশি এই ইউনিয়নে পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ঢোলভাঙ্গা নদী। ১ জন চেয়ারম্যান, ৯ জন মেম্বার, ৩ জন সংরক্ষিত আসনের সদস্যা, ১ জন ইউপি সচিব, দফাদার ও মহল্লাদারদের সেবায় এখানকার জনজীবনে বেশ প্রভাব ফেলেছে।

বিগত সময়ে এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আবদুল আউয়াল, আবদুল গণি, আবদুল গণি মিয়া, মৌ. মো. আজগর হোসেন, মজিবুর রহমান, মৌলভী নুরুল আবেদীন, ফরিদ মিয়া, আবদুল মতিন ওরফে সোনালী, আবদুর রহিম ও মুশফিকুল মান্নান বায়ু এবং আবদুর রহিম। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মোহাম্মদ ফরিদউদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান ফরিদউদ্দিন। বর্তমানে মানিকপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্যানেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন গোলাম মোস্তফা মেম্বার।

আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবারও অংশগ্রহণ করবেন মোহাম্মদ ফরিদউদ্দিন, এমনটাই জানা গেছে।
মানিকপুর ইউনিয়নে ফরিদউদ্দিন ছাড়াও প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান মুশফিকুল মান্নান বায়ু, নূর মোহাম্মদ মোল্লা, গোলাম মোস্তফা প্রধান, সাইদুর রহমান মিঠু, শামসুল হক রনি, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামের ছোট ভাই মো. রবি মিয়া, কল্যাণপুরের আবদুর রশিদ যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়াও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা মো. মহিউদ্দিন, আবু হানিফ, নুর মোহাম্মদ নাজিম, ফজলুর রহমান, হাবিবুর রহমান জহির এবং আনোয়ার চৌধুরী।

সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে মিজানুর রহমান মিজান মাস্টার, আলী বাতেন ওরফে বাতিন মেম্বার, আবদুল মতিন, আলাল মেম্বার, হোসেন মিয়া, মানিক মিয়া, শরিফুল ইসলাম শরিফ, মো. কামাল মিয়া, আমিনুল ইসলাম খেলু ও বাদল মিয়া।
আপনার মতামত লিখুন : :