• ঢাকা
  • সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.

কে হবে দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান? 


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | স্টাফ রিপোর্টার আগস্ট ৩০, ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম কে হবে দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান? 

শিক্ষা, কৃষি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থায় বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে অন্যতম সেরা ইউনিয়ন হলো দরিয়াদৌলত। প্রমত্তা মেঘনার কোলঘেষা উপজেলার উত্তরাঞ্চলে ৪,৯৫৯ একর বা ২০.০৭ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের গ্রামগুলো মরিচাকান্দি, বাখরনগর, তাতুয়াকান্দি, কদমতলি, দরিয়াদৌলত, কালাইনগর ও শুটকিকান্দি। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন দরিয়াদৌলতে দেশ বরেণ্য অগণিত কৃতি সন্তানের জন্ম হয়েছে। 


এই ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেছেন আধ্যাত্মিক সাধক দয়াল বাবা গণি শাহ, দয়াল বাবা কান্দু শাহ, সাবেক এমপি আফতাবউদ্দিন আহমেদ, সাবেক এমপি শহিদুর রহমান, মিজানুর রহমান, অভিনেত্রী ডলি জহুর, অভিনেতা আব্দুল্লাহ রানা, আবৃত্তি শিল্পী হাসান আরিফ, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক মফিজুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাক্তার মো. শফিকুল ইসলাম সহ আরও অনেকে। 


বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন পুরাতন জনপদের মধ্যে একটি। এর ইতিহাস অনেক সুবিস্তৃত। এখানে মরিচাকান্দি ডি টি একাডেমী ও দরিয়াদৌলত আবদুল গণি উচ্চ বিদ্যালয় সহ সরকারি বেসরকারি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে একটি সমৃদ্ধশালী ইউনিয়ন হলো দরিয়াদৌলত। এই ইউনিয়নের কদমতলি গ্রামে আধ্যাত্মিক সাধক দয়াল বাবা কান্দু শাহের মাজার অবস্থিত। তাছাড়া আধ্যাত্মিক সাধক গণি শাহ কালাইনগর গ্রামের সন্তান।

 
ব্রিটিশ আমলের প্রস্তাবিত থানা মরিচাকান্দি দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের অবস্থিত। রাজধানী ঢাকা, শিল্পনগরী নরসিংদী, গাজীপুর এমনকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার জন্য মরিচাকান্দি লঞ্চঘাট উল্লেখ করার মতো অবদান রেখে যাচ্ছে। কৃষি প্রধান এই ইউনিয়নের আছাদনগর গ্রামটি বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে অন্যতম সেরা এই ইউনিয়নে জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য বেশ প্রতিযোগিতা চলে। 


বিগত সময়ে দরিয়াদৌলত ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৭৪ সালের ১ এপ্রিল থেকে ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ পর্যন্ত দরিয়াদৌলত গ্রামের সুন্দর আলী সওদাগর, ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ থেকে ১৯৮৪ সালের ১৫ মে পর্যন্ত মরিচাকান্দির খাদেম রসুল, ১৯৮৪ সালের ১৫ মে থেকে ১৯৮৮ সালের ১৮ জুলাই পর্যন্ত আছাদনগরের আওলাদ হুসেন, ১৯৮৮ সালের ১৮ জুলাই থেকে ১৯৯২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মরিচাকন্দির খাদেম রসুল, ১৯৯২ সালের ৩০ জুন থেকে ১৯৯৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দরিয়াদৌলত গ্রামের আমিরুল ইসলাম, ১৯৯৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০০৩ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত মরিচাকান্দির জহিরুল ইসলাম, ২০০৩ সালের ৬ জুন থেকে ২০১১ সালের ৭ জুলাই পর্যন্ত দরিয়াদৌলত গ্রামের নুরুল ইসলাম খাঁন, ২০১১ সালের ৭ জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ১৪ মে পর্যন্ত বাখরনগর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম দায়িত্ব পালন করেছেন। তারপর দরিয়াদৌলত গ্রামে মো. শরিফুল ইসলাম রিপন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ৫ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ বি এম মাহবুবুর রহমান উজ্জ্বল। তিনি ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। 


২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান এ বি এম মাহবুবুর রহমান উজ্জ্বল চেয়ারম্যান। বর্তমানে চেয়ারম্যান প্যানেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. মহসিন মিয়া মেম্বার। 


আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আছেন এ বি এম মাহবুবুর রহমান উজ্জ্বল, সাবেক চেয়ারম্যান মো. শরীফুল ইসলাম রিপন, সাবেক চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম, মো. হানিফ মিয়া, ডাক্তার মামুন, মমিনুল হক অপু, মো. লোকমান হোসেন, আবদুল খালেক কালা মিয়া, এ্যাডভোকেট জিয়াউল হক বাদল, মো. আবদুল লতিফ, গোলাম মোস্তফা, মো. শামিম মিয়া, মো. কাউসার শিকদার, শরিফুল ইসলাম হেলাল, রাজা মিয়া, মো. হাবিব উল্লাহ, সাইদ আহমেদ বাবু, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. আলমগীর হোসেন, কামরুল ইসলাম অপু। 


মেম্বার প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মতিউর রহমান, অঞ্জনা বেগম, মো. ইসমাইল মিয়া, ওসমান গণি, রফিকুল ইসলাম, জাকিয়া সুলতানা, আজাদ মিয়া, নাদিরা আক্তার হেপি, ফজলুল হক, আক্তারের নেছা, মাকসুদা বেগম, মনির হোসেন,

মিনা বেগম, সফিকুল ইসলাম, আব্দুল হক হকসাব মিয়া, মনোয়ারা বেগম, বিলকিছ বেগম, রুশিয়া, মতিউর রহমান, জামাল উদ্দিন, ডালিম মিয়া, মনিরুল ইসলাম প্রমুখ। 

Side banner 1 Side banner 2