• ঢাকা
  • শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.
শিক্ষকদের দখলে অস্থায়ী গরু ছাগলের হাট

বাঞ্ছারামপুরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাই ইজারাদার


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | স্টাফ রিপোর্টাার মে ২৩, ২০২৬, ০১:২৩ পিএম বাঞ্ছারামপুরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাই ইজারাদার

প্রতিবছর পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে অস্থায়ী পশুরহাট বসে। সাধারণত এসব অস্থায়ী পশুরহাট হাটবাজারগুলোর ইজারাদার হয় ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক নেতাকর্মী কিংবা এলাকার বেকাররা। অথচ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঠিক উল্টোটা ঘটেছে। এখানকার বেশকিছু হাটাবাজারের ইজারাদার হয়েছেন ওই একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকরা। যদিও নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী পশুরহাটের বাজার বসানো সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং অনুচিত। তাছাড়া সরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষক অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার হতে পারেন না। অথচ বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওহাব, ছলিমাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আফজালুর রহমান, ভুরভুরিয়া আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক ইব্রাহিম খলিলসহ আরও কয়েকজন নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে পশুরহাটের ইজারাদার হয়েছেন। অনেক শিক্ষক পরোক্ষভাবে ইজারাদারের সহযোগী হয়েছেন। বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসনই কিভাবে শিক্ষকদের ইজারাদার হওয়ার সুযোগ দিয়েছে? জনমনে এই প্রশ্ন বিরাজ করছে। 


বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বর্তমান নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১২ মে) আসন্ন ঈদুল আযহা ২০২৬ উপলক্ষে অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ০৫.৪২.১২০৪.০০০.০০০.১৬.০০১.২৫-২৫৯নং স্মারকে দরপত্র আহবান করেন তিনি। তবে অতীতে সমস্ত রেকর্ড ভেঙ্গে গরু ছাগল বিক্রির উদ্দেশ্যে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৩০টি জায়গা নির্ধারণ করা হয়। আর সেই কারণে অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরপরই পুরো উপজেলায় কানাঘুষা শুরু হয়। যদিও দরপত্রটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ডিএফপি তালিকাভুক্ত জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে কোন সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হয়নি।
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৩০টি অস্থায়ী হাটবাজারের মধ্যে রয়েছে তেজখালী ইউনিয়নে আকানগর হানারপাড় অস্থায়ী পশুর হাট, বিষ্ণুরামপুর বাজার অস্থায়ী পশুর হাট; পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নে পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট; দরিয়াদৌলত ইউনিয়নে মরিচাকান্দি অস্থায়ী পশুর হাট, দরিয়াদৌলত অস্থায়ী পশুর হাট, কদমতলী কান্দু শাহ মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট; সোনারামপুর ইউনিয়নে সোনারামপুর বাজার অস্থায়ী পশুর হাট; দরিকান্দি ইউনিয়নে জীবনগঞ্জ বাজার অস্থায়ী পশুর হাট, আনন্দ বাজার অস্থায়ী পশুর হাট, বাহাদুরপুর পশ্চিমপাড়া ডেপারপাড় অস্থায়ী পশুর হাট; ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে শাহ রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন অস্থায়ী পশুর হাট, মধ্যনগর বাজার অস্থায়ী পশুর হাট; বাঞ্ছারামপুর সদর ইউনিয়নে ধারিয়ারচর নুরুল ইসলাম কলেজ সংলগ্ন অস্থায়ী পশুর হাট, দুর্গাপুর ১নং ওয়ার্ডের বাজার মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট; আইয়ুবপুর ইউনিয়নে চরছয়ানী মাদ্রাসা মাঠ অস্থায়ী পশুর হাট, কানাইনগর বালুর মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট, আইয়ুবপুর ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম হাই স্কুল মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট; ফরদাবাদ ইউনিয়নে পূর্বহাটি গাবতলী বাজার অস্থায়ী পশুর হাট, ফরদাবাদ ড. রওশন আলম কলেজ মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট, চরলহনীয়া বাজার অস্থায়ী পশুর হাট; রূপসদী ইউনিয়নে রূপসদী দক্ষিণপাড়া হাইস্কুল সংলগ্ন মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট, হোগলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট; ছলিমাবাদ ইউনিয়নে ছলিমাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অস্থায়ী পশুর হাট, মিরপুর বাজার অস্থায়ী পশুর হাট, হায়দরনগর বটতলী বাজার অস্থায়ী পশুর হাট, ভুরভুরিয়া আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট; উজানচর ইউনিয়নে উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন অস্থায়ী পশুর হাট, রাধানগর সাদ্দাম বাজার বালুর মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট এবং মানিকপুর ইউনিয়নের বাহেরচর পুরাতন বাজার কলেজ মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট ও উলুকান্দি বালুর মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট। 
এসব অস্থায়ী পশুর হাটবাজারের মধ্যে সরকারের নামে মাত্র রাজস্ব আদায়ের লক্ষে জনমতের বাঁধা উপেক্ষা করে ৫টি নতুন বাজার সৃষ্টি করা হয়। এই নতুন বাজারগুলোর মধ্যে একজন আধ্যাত্মিক সাধকের মাজার, একটি মাদ্রাসা এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ফলে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। 
এদিকে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৩০টি অস্থায়ী গরু ছাগলের বাজারের মধ্যে ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে শাহরাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ, ধারিয়ারচর নুরুল ইসলাম কলেজ, চরছয়ানী মাদ্রাসা মাঠ, আইয়ুবপুর ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়, ফরদাবাদ ড. রওশন আলম কলেজ, রূপসদী দক্ষিণপাড়া হাইস্কুল, হোগলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছলিমাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ভুরভুরিয়া আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ, উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাহেরচর কলেজ মাঠ। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে সপ্তাহের দুই থেকে তিনদিন বসবে গরু-ছাগলের হাট। স্কুলের সামনে ও ভবনে উপরেই বড় সাইনবোর্ডে ঝোলানো হবে বিশাল গরু-ছাগলের হাট। বিগত সময়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গরু ছাগলের হাট না বসানোর জন্য এলাকার সচেতনমহল আন্দোলন করেছিল। অথচ বরাবরের মতো এবারও প্রশাসন জনমতকে আমলে নেয়নি। 


বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আকানগর হানারপাড় অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদার (খাস) আকানগর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আবুল হোসেন, বিষ্ণুরামপুর বাজার অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার রূপসদী গ্রামের মোহাম্মদ ইয়াকুব আলীর ছেলে মোহাম্মদ জামাল হোসেন, পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার পাহাড়িয়াকান্দি গ্রামের মোহাম্মদ আহাম্মদ আলীর ছেলে এস এম দেলোয়ার হোসেন, মরিচাকান্দি অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার মরিচাকান্দি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে ফারুক মিয়া, দরিয়াদৌলত অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার দরিয়াদৌলত গ্রামের শাহজাহান খানের ছেলে আওলাদ হোসেন খান, কদমতলী কান্দু শাহ মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার কদমতলী গ্রামের কাজী আব্দুল আহাদের ছেলে কাজী ফারুক আহামেদ, সোনারামপুর বাজার অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার দুলারামপুর গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে আবদুল খালেক, জীবনগঞ্জ বাজার অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার দরিকান্দি গ্রামের কাজী মোখলেছ মিয়ার ছেলে কাজী সোহেল, আনন্দবাজার অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার গকুল নগর গ্রামের মাতু মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া, বাহাদুরপুর পশ্চিমপাড়া ডেপার পাড় অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার বাহাদুরপুর গ্রামের আবদুল মোন্নাফ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ কিবরিয়া, শাহরাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার (খাস), মধ্যনগর বাজার মাঠ অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার মধ্যনগর গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া, ধারিয়ারচর নুরুল ইসলাম কলেজ মাঠ সংলগ্ন অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার খোষকান্দি গ্রামের মিজান মোল্লার ছেলে আব্দুর রহিম, দুর্গাপুর ১নং ওয়ার্ডের বাজার মাঠে অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদার দুর্গাপুর গ্রামের মোতালেব মিয়ার ছেলে রবিউল, চরছয়ানী মাদ্রাসা মাঠ সংলগ্ন অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার চরছয়ানী গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. শাহিন, কানাইনগর বালুর মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার কানাইনগর গ্রামের এলাছ মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন, আইয়ুবপুর ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নের শোভারামপুর গ্রামের মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব, পূর্বহাটি গাবতলী বাজার অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার পূর্বহাটি গ্রামের রোসমত আলীর ছেলে আবদুল হালিম, ফরদাবাদ ড. রওশন আলম কলেজ মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার ফরদাবাদ গ্রামের আবদুল লতিফ সরকারের ছেলে মনিরুজ্জামান সরকার, চরলহনীয়া বাজার অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার চরলহনীয়া গ্রামের করম আলীর ছেলে জয়নাল আবেদিন, রূপসদী দক্ষিণপাড়া হাইস্কুল মাঠের ইজারাদার রূপসদী গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে আল আমিন, হোগলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার হোগলাকান্দি গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম, ছলিমাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার ছলিমাবাদ গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে আফজালুর রহমান, মিরপুর বাজার অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার (খাস), হায়দরনগর বটতলী বাজার অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার হায়দরনগর গ্রামের আবু মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম সরকারের ছেলে মো. ইব্রাহিম, ভুরভুরিয়া আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার ওই স্কুলের সহকারি শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল, উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার উজানচর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে আনিছুর রহমান, রাধানগর সাদ্দাম বাজার বালুর মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার রাখানগর গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন, বাহেরচর পুরাতন বাজার কলেজ মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার বাহেরচর গ্রামের বন্দে আলির ছেলে সোহেল রানা এবং উলুকান্দি বালুর মাঠে অস্থায়ী পশুরহাটের ইজারাদার উলুকান্দি গ্রামের মাহফুজ মিঞার ছেলে হামিদুল্লা।
ড. রওশন আলম কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, বিগত সময়ের মতো আবারও আমাদের কলেজ মাঠে গরু-ছাগলের হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। কোরবানির বাজারের পর ঈদের ছুটি শেষ হয়ে গেলেও মাঠ থেকে দুর্গন্ধ সরে না। পোকামাকড়, মশা-মাছি বেড়ে যায়। এগুলো পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হলেও কোনো লাভ হয় না। ইজারাদাররা নিজ খরচে কখনও এসব পরিস্কার করে না। বলতে গেলে ইজারাদারদের খুঁজেই পাওয়া যায় না।
ছলিমাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিজের স্বার্থে এখানে গরু ছাগলের হাট বসানোর জন্য অনুমতি দিয়ে থাকেন। কোরবানীর পর পুরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান র্দুগন্ধে ভরে যায়। এবার শুনেছি আমাদের আফজাল স্যার নিজেই গরু ছাগলের ডাক নিয়েছেন। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোগলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ইউএনও স্যার অনুমতি দিলে আমাদের মতো শিক্ষকদের কিছু করার থাকে না। এলাকার কিছু টাউটবাটপার নিজেদের স্বার্থে হয়তো ইউএনও স্যারকে বুঝিয়েছে বাজার বসানোর জন্য। এখানে বাজার বসিয়ে সরকার কত টাকা রাজস্ব পাবে? এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গরু ছাগলের বাজার না বসানোর জন্য অনুরোধ করছি।
আইয়ুবপুর ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। বিশেষ করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল ওহাব নিজেই ইজারাদার হওয়ায় পুরো এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। 
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সচেতনমহল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা ও অলি আউলিয়ার দরবার শরীফকে পশুরহাটের বাইরে রাখার দাবি জানিয়েছিল। অথচ স্থানীয় প্রশাসন তা আমলে নেয়নি। আর সেই কারণে স্থানীয় জনগণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী, সচিব, জেলা প্রশাসকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সেই সাথে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

Side banner 1 Side banner 2