• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.
বাঞ্ছারামপুরে গোলাম ফারুক সিন্ডিকেট

কবির ফারুক জমাদ্দার সিদ্দিক তপনে মাধ্যমিকে সর্বনাশ 


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | বা.বার্তা রিপোর্ট মে ১৮, ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম কবির ফারুক জমাদ্দার সিদ্দিক তপনে মাধ্যমিকে সর্বনাশ 

অবশেষে বদলী হলেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দুর্নীতিবাজ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম ফারুক। নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে বদলি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (৭ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সাধারণ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক কামরুন্নাহার রীমা স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এই তথ্য জানা গেছে। 


এদিকে গোলাম ফারুকের বদলীর খবর শুনে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। তার গাফিলতির কারণে উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা নানা সংকটে পড়ে। দীর্ঘদিন বাঞ্ছারামপুর থাকার কারণে উপজেলার বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে একটি বিশেষ সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন গোলাম ফারুক। নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে একজন বিতর্কিত শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। তার বদলীতে বাঞ্ছারামপুরের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের মধ্যে স্বস্তির পাশাপাশি আনন্দ বিরাজ করে। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে গেছেন গোলাম ফারুক। তিনি ফরদাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের কাঠের বাজার থেকে নিয়মিত মাসোহারা নিতেন। তাছাড়া মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কলাকান্দি এইচকে আছমাতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান, রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ জমাদ্দার, ছলিমাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাম হুমায়ুন সহ আরও অনেক শিক্ষকের নানাবিধ অপকর্ম ধামাচাপা দেন। বিতর্কিত শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম ফারুকের বদলীতে কিছুটা স্বস্তি বিরাজ করলেও সিন্ডিকেটের ভূত রয়েই গেছে-এমনটাই বললেন বেশ কয়েকজন শিক্ষক। 


হুমায়ুন কবির
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হুমায়ুন কবির। তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সদ্য সাবেক দুর্নীতিবাজ শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম ফারুকের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই স্কুলের আয় ব্যয়, ভুয়া বিল ভাউচার, স্বেচ্ছাচারিতা এবং শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে বিদ্যালয়টি আজ প্রশ্নের সম্মুখিন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন কিংবা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কেউ আসলেই তিনি বিশেষ খাম দিয়ে বিদায় করে দেন, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় সচেতনমহল প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীরকে ‘খাম হুমায়ুন’ নামে অভিহিত করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে দেশের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতিবাজ শিক্ষকদের অপসারণ করা হয়। অথচ নানাবিধ অনিয়মের সাথে সম্পৃক্ত থাকার পরও বহাল তবিয়তে রয়েছেন হুমায়ুন কবীর। তার একক স্বেচ্ছাচারিতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে বিগত সময়ে স্কুলটি সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে গিয়ে নানাবিধ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তৎকালিন সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন ধনু মিয়া, এম এ মান্নান, লুৎফুর রহমান লিল মিয়া, রুস্তম আলম চেয়ারম্যান, আলমগীর হোসেন, এম এ হান্নান ও ফারুক মিয়ার মতো শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের। নিজের এহেন আর্থিক কেলেংকারিকে ধামাচাপা দিতে তিনি সবাইকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতেন। যা নিয়ে স্কুলের শিক্ষকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও কানাঘুষা চলতো।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৎকালিন ইউএনও, দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক সচিব দেলোয়ার বক্স বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় পরিদর্শনে যান। ওই সময় ছলিমাবাদ ইউনিয়নের সচেতন জনগণ প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে দুদকের সচিবের কাছে অভিযোগ দেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসককে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে নানা ঘটনায় সাবেক এমপি ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম হস্তক্ষেপ করেন। বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় ছলিমাবাদে একটি মিটিং হয়। ওই মিটিংয়ে প্রিন্সিপাল আবুল খায়ের দুলালসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা প্রধান শিক্ষককে সংশোধনের সময় দেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অনিয়ম ও দুর্নীতি থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারেননি হুমায়ুন কবীর। তারই যোগসাজসে ইতালি ফেরত স্কুলের সহকারি শিক্ষক মো. গিয়াসউদ্দিনের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। ২০১৩ সালে প্রথম ব্যাচ হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ জনই পাশ করে। পরবর্তীতে নানা কারণেই প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি। আর সেজন্য সচেতন মহল প্রধান শিক্ষকের খামখেয়ালিপনাকেই দায়ি করছেন। 
কালু মেম্বার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত অপার সম্ভাবনাময় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি নানাবিধ অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতায় আজ প্রশ্নবিদ্ধ। সর্বশেষ অনুদানের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় পুরো এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। পরে শিক্ষা অফিসার গোলাম ফারুককে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করেন হুমায়ুন কবির।


ফারুক মিয়া
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ফারুক মিয়া। তিনিও শিক্ষা অফিসার গোলাম ফারুকের সহযোগী ছিলেন। এই দুই ফারুকের গোপন সখ্যতা ও খামখেয়ালীপনায় ফরদাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ক্রমেই নিম্নমুখী হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম ফারুকের আস্কারায় দীর্ঘ ১৮ মাসেরও বেশি সময় ধরে অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত বেতন ও ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠে। শুধু নিজের বেতনই নয়, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন বিলেও তিনি নিজে স্বাক্ষর করছেন। বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দায়িত্বে থাকলেও অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষক নিয়মিতই ইউএনও’র কার্যালয়ে যান, বেতন-ভাতা বিভিন্ন বিল সংক্রান্ত কাজও সেখান থেকেই সম্পন্ন করছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলেও নিয়মানুযায়ী কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ফরদাবাদ গ্রামের উত্তরপাড়ায় ১৯৮৭ সালে স্থানীয় মিজানুর রহমান “ফরদাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়” নামে এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুর দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করলেও ফারুক মিয়া দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে থাকে। তার গাফিলতির কারণেই শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে আসে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির খেলার মাঠে কাঠের বাজার বসিয়ে বাণিজ্য করে যাচ্ছেন। ওই বাজারের আয়ের একটি বড় অংশ শিক্ষা অফিসার গোলাম ফারুককে মাসোহারা হিসেবে প্রদান করতেন। 


নূর মোহাম্মদ জমাদ্দার
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অসংখ্য কৃতি শিক্ষার্থীর জন্ম দিয়েছে। অথচ সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ জমাদ্দারের কারণে নানা সময়ে আলোচনায় আসে। একপর্যায়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ জমদ্দারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের স্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বিদ্যালয়ের দৈনিক ক্যাশ বই ও ব্যাংক হিসাব যাচাই-বাছাই করে এক কোটি ত্রিশ লাখ টাকা লোপাটের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ জমদ্দারের বিরুদ্ধে। এর কারণ জানতে চাইলে যথাযথ কোন কারণ দেখাতে পারেননি তিনি। এছাড়াও বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব থেকে তিন লাখ ত্রিশ হাজার টাকা নিয়মের বাইরে নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। এসব অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে গভর্নিং বডির আইন ও ক্ষমতাবলে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় প্রধান শিক্ষককে। এই প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ জমাদ্দার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম ফারুকের কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। স্কুলের শিক্ষার উন্নয়নের চেয়ে শিক্ষা কর্মকর্তার পকেটের উন্নয়নে ব্যস্ত থাকতেন নূর মোহাম্মদ জমাদ্দার। আর সেই কারণে তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী।


সিদ্দিকুর রহমান
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আলোচিত ছাত্রদল নেতা নয়ন হত্যা মামলার আসামী সিদ্দিকুর রহমান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কিছুদিন পলাতক থাকলেও বর্তমানে তিনি গ্রামেই বসবাস করছেন। অথচ থানা পুলিশ তাকে খুঁজে পাচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে থানা পুলিশকে ম্যানেজ করেই তিনি এলাকায় অবস্থান করছেন। বাঞ্ছারামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সিদ্দিকুর রহমান পুরো উপজেলায় একজন দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। তিনি সাবেক শিক্ষা অফিসার গোলাম ফারুকের কাছে মানুষ ছিলেন। আর সেই কারণেই কলাকান্দি এইচ কে আছমাতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের টাকা আত্মাসাৎসহ নানা অভিযোগ থাকলেও পার পেয়ে যান। গোলাম ফারুক সিন্ডিকেটে অন্যতম সদস্য সিদ্দিকুর রহমান আওয়ামী লীগের আমলে স্কুলের চেয়ে দলের কাজেই ব্যস্ত সময় পার করতেন। 


তপন চন্দ্র সূত্রধর
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক তপন চন্দ্র সূত্রধর। তিনি সদ্য সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম ফারুকের কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তপন চন্দ্র সূত্রধরের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। বিগত সময়ে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষাখাতের প্রায় সব বরাদ্দ তথা উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়ে। স্থানীয় এমপি ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম ও তার ভাগিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জনি চেয়ারম্যানের কারণে ধরাকে সরাজ্ঞান করতেন তপন চন্দ্র সূত্রধর। এই প্রতিষ্ঠানের নামে উন্নয়নমূলক কাজের হরিলুট হয়েছে। সম্প্রতি তাকে নোটিশ প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম। উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে (বাঞ্ছা-৫) বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় এক শিক্ষাথীকে ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষার প্রশ্ন দেওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষার্থীকে ২০২৬ সালের নতুন সিলেবাসের প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করা হয়। তার গাফিলতিতেই এমনটা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে। পুরো উপজেলায় অভিভাবক মহলে তোলপাড় শুরু হয়। আওয়ামী লীগের আমলে শিক্ষকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুবিধা গ্রহণ করেন তপন চন্দ্র সূত্রধর। উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়ে সর্বশেষ ১০ বছরের আয়-ব্যয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নের নামে যে হরিলুট হয়েছে এসব তদন্তের দাবি জানান সচেতনমহল।

Side banner 1 Side banner 2