• ঢাকা
  • সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.

হোসেনপুর সরকারি বিদ্যালয়ে শোনা যায় হাঁসের কলকলানি


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | স্টাফ রিপোর্টার সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৯:১৮ পিএম হোসেনপুর সরকারি বিদ্যালয়ে শোনা যায় হাঁসের কলকলানি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার হোসেনপুর মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এখন শিক্ষার্থীদের কোলাহল নয়, শোনা যাচ্ছে হাঁসের কলকলানি। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান পানি জমে যায় বিদ্যালয়টির চত্বরে। এই পানির মধ্যেই ভাসতে দেখা যায় রাজহাঁস ও পাতিহাঁসকে।
উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে অবস্থিত বিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনো কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার কোনো ব্যবস্থা হয়নি। ফলে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম এলেই স্কুলের মাঠ ও আশপাশের এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। জমে থাকা এই পানি সাত-আট দিনেও না নেমে যাওয়ায় তার পঁচা গন্ধে শ্রেণিকক্ষে বসে ক্লাস করাও কঠিন হয়ে পড়ে।
জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে ১৭০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র তিনজন। দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদটিও রয়েছে শূন্য। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই কোনোভাবে পরিচালিত হচ্ছে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম।
স্থানীয় সমাজসেবক মো. আলী হোসেন বলেন, পঁচা পানির ওপর দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাতায়াত করে। এতে অনেকেরই পায়ে চুলকানি ও সর্দি-জ্বর হচ্ছে। মাঠে পানি থাকায় জাতীয় সংগীত গাওয়া ও খেলাধুলাও বন্ধ হয়ে গেছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাশিদা আক্তার জানান, মাঠে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো স্কুলে আসতে পারছে না। শুনেছি, মাটি ভরাটের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্যানেল মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দুই-তিন দিনের মধ্যে মাটি ভরাটের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যাবে। বরাদ্দ পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল আজিজ বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠে হাঁস খেলা করে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম, এমনকি শিক্ষার্থীদের দিয়ে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কাজ করানো হয় এমন অভিযোগ পেয়েছি। এর প্রেক্ষিতে দুইজন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে এবং সহকারী শিক্ষা অফিসার এনামুল হককে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Side banner 1 Side banner 2