• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা কাজ শুরু


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | জোনায়েদ সাকি জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা কাজ শুরু

সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা আজকে শুরু হলো। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর আসনে বিএনপি, গণসংহতি আন্দোলন সহ যুগপৎ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজকে ‘মাথাল’ মার্কার প্রার্থী হিসেবে আমি মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, জোনায়েদ সাকি আমার সংক্ষিপ্ত নাম, আজকে আমাদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলাম।
প্রথমেই স্মরণ করতে চাই তাদেরকে, যারা বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে যারা গুম, খুন, হত্যার শিকার হয়েছেন, নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং সবশেষে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন। এই বাঞ্ছারামপুরের ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে শহীদ হয়েছেন আমাদের বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম নয়ন। আমরা তাকে স্মরণ করি। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে আপনারা জানেন আবু সাঈদ কীভাবে বুক চিতিয়ে শাহাদাত বরণ করে সারা দেশের মানুষকে আলোড়িত করেছেন।
বহু শহীদ হয়েছেন মুগ্ধ, রিয়া গোপ, অনেকের নাম, হাজার হাজার শহীদ। আমাদের সংগঠন, আমাদের দলের সাথে যুক্ত অন্যতম ছাত্রনেতা জুলফিকার শাকিল প্রতিরোধ করতে গিয়ে এই ৪ঠা জুলাই গুলিতে আক্রান্ত হন। এই বাঞ্ছারামপুরেও আশিক, তুহিন, ইসমাইল, ইমরান এরা শাহাদাত বরণ করেছেন। আরও অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। আমরা সকল শহীদের প্রতি বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিযুদ্ধে যে লক্ষ শহীদ ছিলেন, সেই থেকে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য অদ্যাবধি যে লড়াই হয়েছে, এমনকি অভ্যুত্থানের পরেও আমরা দেখেছি নানাভাবে অভ্যুত্থানকে সংগঠকদের হত্যা করা হয়েছে, ওসমান হাদি তাদের মধ্যে অন্যতম আমরা সকলের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আমরা দেখেছি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা লাভের অধিকার কেড়ে নিয়ে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার কীভাবে তাঁকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। আমরা তাদেরকে স্মরণ করি প্রতিটি মুহূর্তে। কেননা এই যে বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাচ্ছি, তা তাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে। সেই কারণে তাদের রক্তের ঋণ আমরা বহন করি। এবং সেই ঋণ বহন করেই বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে পরিণত করার জন্য যে অঙ্গীকার, সেই অঙ্গীকার আমরা পুনর্ব্যক্ত করি। এই অভ্যুত্থানের ফয়সালা, অভ্যুত্থানের রায় বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পথে যেতে হবে।
ফ্যাসিবাদ যাতে কোনোভাবেই মাথা চাড়া দিতে না পারে কোনো নামেই, কোনো উগ্রবাদী মতাদর্শে বাংলাদেশে আবারও কোনো ফ্যাসিবাদ যাতে কায়েম হতে না পারে—সেই জায়গাতে আমাদের সোচ্চার থাকতে হবে। আমরা এর আগে জাতীয়তাবাদী ফ্যাসিবাদের জায়গা দেখেছি। এখন আমরা দেখছি নানাভাবে অনেকে ধর্মীয় উস্কানি দিয়েও নানা জবরদস্তি কায়েম করার চেষ্টা করছে। সেই সব জায়গাতেও বাংলাদেশের মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে যে এই দেশে সকল নাগরিকের বেঁচে থাকার অধিকার আছে, তাদের মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা—সেকারণেই রাষ্ট্রের কর্তব্য। আর সেকারণে রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিক হতে হবে।
আমরা মনে করি এই যে গণঅভ্যুত্থান, সেই গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে তিনটি বড় কর্তব্য সামনে নিয়ে এসেছে। 
একটা হচ্ছে ন্যায়বিচার। ন্যায়বিচার ছাড়া রাষ্ট্র একটা গণতান্ত্রিক জায়গায় দাঁড়াতে পারে না। যারা অন্যায় করেছে, যারা গুম-খুন করেছে, যারা হত্যা করেছে মানুষকে, তাদের অবশ্যই এখানে বিচার হবে। সেই ন্যায়বিচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন করে গড়ে উঠবে। এবং আমরা সকল মানুষের একটা ঐক্য এই দেশের মধ্যে তৈরি করতে চাই, নাগরিক অধিকারের ভিত্তিতে।
আমাদের দরকার সংস্কার। কেননা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে গেলে, দেশের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে গেলে সংস্কার ছাড়া হবে না। এই রাষ্ট্র যেটা আছে সেটা সমস্ত ক্ষমতা একজনের হাতে কেন্দ্রীভূত করেছিল, সেটাই ফ্যাসিবাদ কায়েমে সহায়ক ছিল। আজকে দীর্ঘ এক বছরের কাছাকাছি সময় ধরে আলাপ আলোচনা করে আমরা জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করেছি কীভাবে আগামী দিনে আমাদের শাসনতন্ত্র কিংবা সংবিধান এটা সংস্কার করা হবে, গণতান্ত্রিক করা হবে, জবাবদিহিপূর্ণ করা হবে। ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি করে কীভাবে আমরা একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করব, সে বিষয়ে আমরা আলাপ করেছি।
এই সংস্কারের কাজটা সম্পন্ন করতে গিয়ে, শেষ করতে গিয়ে, এগিয়ে নিতে গেলে আমাদের অবশ্যই নির্বাচন লাগবে। সেই কারণে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন হচ্ছে সেটাতে রয়েছে একদিকে গণভোট, যেখানে আমরা জুলাই জাতীয় সনদকে জনগণের কাছে পেশ করছি। জনগণ তাদের সম্মতি দিবেন। আমরা আশা করি যে ‘হ্যাঁ’ সম্মতি দিয়ে এই সনদকে তারা বিজয়ী করবেন, পক্ষে তারা রায় দিবেন। এবং অন্যদিকে একইসাথে আগামী সংসদকে এই ক্ষমতা দিবেন যাতে তারা জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার করতে পারে, রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার করতে পারে।
সেকারণেই আগামী সংসদ নির্বাচন একদিকে যেমন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, আরেকদিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব। আমরা চাই দেশে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখা। সেই স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে আমাদের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সারা বিশ্বের সাথে একত্রিত হতে গেলে আমাদের অবশ্যই এমন একটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে যেটা গণতান্ত্রিক।
এই রাজনৈতিক ব্যবস্থা আমাদের সকল মানুষকে অংশীদার মনে করবে। যদি রাজনৈতিক ব্যবস্থা কারো কুক্ষিগত হয়ে যায় এবং সেই ব্যবস্থা বেশিরভাগ মানুষকে তার বাইরে ছুঁড়ে ফেলে, তাহলে সেই ব্যবস্থা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারে না। তাহলে সেখানেই ফ্যাসিবাদ কিংবা স্বৈরাচার জন্ম নেয়। আমাদেরকে অবশ্যই এই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জনগণের ঐক্য তৈরি করতে হবে। আর সেটা করতে গেলে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা লাগবে। দেশে যে বিপুল আয় বৈষম্য—খেটে খাওয়া মানুষ তাদের যদি ন্যায্য হিস্যা না থাকে, এই বৈষম্যই যদি থাকে, মুষ্টিমেয়র হাতে সমস্ত ধন সম্পদ কেন্দ্রীভূত থাকে, অথচ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ তারাই সম্পদ তৈরি করছে, তাহলে দেশে শান্তি আসবে না, ঐক্য আসবে না।
কাজেই আমাদের খেটে খাওয়া মানুষের ন্যায্য হিস্যা এবং প্রতিটি মানুষের নাগরিক মর্যাদা, অধিকার এটা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেটা ধর্ম, জাতি, লিঙ্গীয় পরিচয়, যেকোনো পরিচয়ই হোক। ফলে আমরা বাঞ্ছারামপুরে এবং সারা দেশে আমরা সেই আওয়াজ নিয়ে ঘুরছি। 
আমরা কয়েকটি বিষয় বাঞ্ছারামপুরের ক্ষেত্রে তুলে ধরেছি। এক, বাঞ্ছারামপুরের ক্ষেত্রে আগামী দিনে শিক্ষা, স্বাস্থ্যের ছবিটি আমাদের অগ্রাধিকার হিসেবে থাকবে। আমরা শিক্ষাকে এমন জায়গায় নিতে চাই যাতে করে বাঞ্ছারামপুরের আমাদের শিক্ষার্থীরা সারা দেশে তারা তাদের নাম উজ্জ্বল করতে পারে। এখানে স্বাস্থ্যসেবা তার সবটা যেটা এই উপজেলা কেন্দ্রিক যতটুকু সুবিধা আছে, তার সবটা যাতে কার্যকরভাবে আমাদের উপজেলাবাসী পান সেই স্বাস্থ্যসেবার আয়োজন এখানে করতে হবে।
দুই নম্বর বিষয় হচ্ছে, আমাদের এখানে শিশুরা যাতে শারীরিক মানসিকভাবে সমস্ত কিছু নিয়ে, দক্ষতা নিয়ে যোগ্যতা নিয়ে সকলেই বিকশিত হতে পারে যার যার অবস্থা অনুযায়ী। সেটা শারীরিকভাবে সক্ষম অথবা ভিন্নরকম হোক—সকলের শিশুদের বিকাশের জায়গাতে। আজকে শিশুদের মধ্যে খাদ্যের বিষক্রিয়া আমরা যেভাবে দেখছি সেগুলো আমাদের বন্ধ করতে হবে। আমাদের এই শিশুরা যাতে লেখাপড়া করতে পারে, শিক্ষা তারা যথার্থভাবে মানসম্পন্ন শিক্ষা পায় সেই মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং সকলের জন্য শিক্ষার নিশ্চয়তা আমাদের করতে হবে। তাদের খেলাধুলা, তাদের সমস্ত আয়োজন এমনভাবে করতে হবে যাতে তাদের একটা যথাযথভাবে বিকশিত হওয়ার জায়গা তৈরি হয়। মাদকের ছোবল থেকে তাদেরকে মুক্ত রাখতে হবে। এবং তাদের শিক্ষা শেষে যাতে তারা কর্মসংস্থান পায়, অর্থাৎ যে যে অবস্থায় আছে তারা কর্মসংস্থানের উপযোগী জায়গা তৈরি করবে। এটা আমাদের দ্বিতীয় অগ্রাধিকার।
তিন নম্বর হচ্ছে, বাঞ্ছারামপুরবাসীর দীর্ঘদিনের একটা দাবি হচ্ছে মেঘনা সেতু তৈরি করা এবং বাঞ্ছারামপুরের সাথে আড়াইহাজারসহ এই যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করা। ইনশাআল্লাহ আমরা তা করব। সেই বিষয়ে আমরা আমাদের সর্বাত্মকভাবে আমরা আমাদের চেষ্টা করব যাতে এটা একটা বাস্তব রূপ নেয়। এবং এটা নিলে এই বাঞ্ছারামপুরের অভ্যন্তরীণ যে যাতায়াত ব্যবস্থা যেটা খুবই ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছে—এগুলো আমাদের ঠিক করতে হবে। এবং আমরা চেষ্টা করব যে বাঞ্ছারামপুরের মধ্যে এই যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং এই ব্রিজ এগুলো যদি উন্নত হয়, তাহলে এখানে বিনিয়োগের একটা পরিবেশ তৈরি হবে। যে কর্মসংস্থানের কথা বললাম, বাঞ্ছারামপুরেই কিন্তু বিনিয়োগের জায়গা তৈরি হবে।
আপনারা দেখেন, মরিচা থেকে শুরু করে একেবারে উজানচর পর্যন্ত এই মেঘনার পাড়, সেটাকে কেন্দ্র করে আমরা একটা অভ্যন্তরীণ পর্যটনের জায়গা তৈরি করতে পারি। সেই জায়গাগুলো আমাদের চিন্তা করতে হবে এবং আমরা সেগুলো খুবই গুরুত্বের সাথে সেগুলো ভাবছি। আমাদের এখানে বিনিয়োগের শিল্প কলকারখানা যাতে গড়ে ওঠে তার জন্য কীভাবে আমরা কাজ করতে পারি, সেগুলো আমাদের অগ্রাধিকার হিসেবে থাকবে।
চতুর্থত, বাঞ্ছারামপুর হচ্ছে নদী বিধৌত একটা এলাকা। আমাদের নদী-নালা, খাল-বিল, আমাদের মাটি, পানি, বাতাস আমাদের সমস্ত কিছু রক্ষা করতে হবে। এবং এগুলো যাতে দূষিত না হয়, এগুলো ধ্বংস করার যে তৎপরতা সেগুলো আমাদের বন্ধ করতে হবে। এবং আমরা চাইব যে আমাদের সবকিছুকে এখানকার উন্নয়ন পরিকল্পনা এখানে সবকিছুকে এই প্রকৃতি রক্ষার, প্রকৃতির উপযোগী করে সেগুলোকে কাজ করা।
পঞ্চমত, আমরা এইখানে পরিষ্কার করে বলতে চাই, খেটে খাওয়া মানুষের ন্যায্য হিস্যা দরকার। আমাদের কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যায্য দাম পান। এবং ফসলের ন্যায্য দাম পেতে গেলে এখানে ধান-চাল সহ ফসলের ইউনিয়নভিত্তিক ক্রয় কেন্দ্র গড়ে তোলা, সেগুলো আমাদের দেখতে হবে। আমাদের শ্রমিকরা যাতে ঠিকঠাক মতো তাদের বাঁচার মতো সম্মানজনকভাবে বাঁচার মতো মজুরি পায়। আমাদের যারা শ্রমজীবী মানুষ তারা যাতে এখানে কাজের ক্ষেত্র খুঁজে পান এবং বাঁচার মতো জায়গায় থাকতে পারেন।
আমাদের প্রবাসীরা যারা বাঞ্ছারামপুরের একভাবে বলা চলে মূল একটা চালিকা শক্তি। বাঞ্ছারামপুর রেমিটেন্সের দিক থেকে অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের দিক থেকে দেশের সব থানার মধ্যে প্রথম দিকে আছে, এক নম্বর জায়গায় আছে। বাঞ্ছারামপুরের এই প্রবাসীদের সারা দেশের প্রবাসীদের মতোই যাতে প্রবাসে অধিকার নিশ্চিত হয় এবং তারা এখানে বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগসহ তাদের জীবনযাপন যেন আরও সহজ এবং উন্নত হয়, সেদিকে আমাদের খুবই গুরুত্বের সাথে নজর দিতে হবে। প্রবাসীদের সমস্যাগুলোকে আমরা ইতিমধ্যে চিহ্নিত করেছি এবং সেগুলো আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি তুলব যাতে তারা সমাধান করেন।
ষষ্ঠত, বাঞ্ছারামপুরে নারীর নিরাপত্তাসহ নারীদের যাতে কোনো হয়রানির শিকার তারা না হন, এখানে কোনো ধর্ষণের ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য আমাদের সামাজিক একটা প্রতিরোধ তৈরি করা হবে। ধর্ম-জাতি নির্বিশেষে সকল মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে এবং এইখানে যাতে সন্ত্রাস, খুনাখুনি এই সমস্ত জায়গাগুলো বন্ধ হয়। আমরা যাতে সবার সাথে যে আবেগ ভালোবাসার মধ্যে বাঞ্ছারামপুরবাসীর প্রকাশ আছে সেই ভালোবাসার মধ্য দিয়ে আমরা এখানে থাকতে পারি তার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
অর্থাৎ একটা নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর। তাই আমাদের মূল স্লোগান হচ্ছে উন্নত এবং নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর। সেই বাঞ্ছারামপুর গড়ে তুলতে আমরা চাই। সেটা যদি আমরা গড়ে তুলতে পারি বাঞ্ছারামপুরবাসীর এই শক্তি নিয়ে আমরা সারা দেশে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সার্বভৌম বাংলাদেশ আমরা তৈরি করব। ইনশাআল্লাহ। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ, আপনারা দোয়া রাখবেন।
জোনায়েদ সাকি
প্রধান সমন্বয়কারী, গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ
২২ জানুয়ারি ২০২৬।

Side banner