• ঢাকা
  • বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.

উজবেকিস্তানের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | নিজস্ব প্রতিবেদক মে ৬, ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম উজবেকিস্তানের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ

উজবেকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো গভীর করতে চায় বাংলাদেশ। দেশটির সমরখন্দে উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী জামশিদ খোদজায়েভের সঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বোর্ড অব গভর্নরসের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে সমরখন্দ সফর করছেন অর্থমন্ত্রী। বৈঠকে তার সঙ্গে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। বার্ষিক সম্মেলনটি ৩ মে শুরু হয়েছে। শেষ হচ্ছে আজ।
নতুন সরকার গঠনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানোয় উজবেকিস্তানের সরকার ও বিশেষ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট শভকত মির্জিইয়োয়েভকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান অর্থমন্ত্রী।
বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মানুষের মধ্যকার ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বন্ধনের কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে বাণিজ্য, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং গণযোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর বিষয়ে উপ-প্রধানমন্ত্রীকে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান অর্থমন্ত্রী। বিশেষ করে ঢাকা-তাসখন্দ রুটে উজবেক এয়ারওয়েজের ফ্লাইট পুনরায় চালুর আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় ও জোরদার করতে বাংলাদেশে উজবেকিস্তানের কূটনৈতিক মিশন খোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ ও পাটজাত পণ্যের জন্য উজবেকিস্তানের বাজারে আরো সহজ প্রবেশাধিকার চেয়েছেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সফরের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
এসময় উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরো গতিশীল করতে বাংলাদেশের সঙ্গে কার্যকরভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাণিজ্য, কৃষি ও পর্যটন খাতে অপেক্ষমাণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার ওপরও গুরুত্ব দেন।
বস্ত্র ও ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে উপ-প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করতে শিগগিরই একটি উজবেক ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে।

Side banner 1 Side banner 2