• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.
তারিফ সরকার টুটুল

উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে তেজখালি ইউনিয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | স্টাফ রিপোর্টার সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে তেজখালি ইউনিয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়ন তেজখালি। এই ইউনিয়নে দেশ বরেণ্য অগণিত কৃতি সন্তানের জন্ম হয়েছে। এদেরই একজন তারিফ সরকার টুটুল। তিনি তেজখালী ইউনিয়নের হাসন্নগর গ্রামের মো. শহিদউল্লাহ সরকার ও ছাদেকা বেগমের গর্বিত সন্তান। তারিফ সরকার টুটুল ২০০২ সালে এসএসসি এবং ২০০৪ সালে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তারপর জীবন জীবিকার উদ্দেশ্যে ইতালিতে পাড়ি জমান। কর্মজীবনের শুরু থেকে অদ্যাবধি সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যান। নিজের মেধা মনন ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন সফল রেমিটেন্সযোদ্ধা হিসেবে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছেন। একই সাথে এলাকার শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে বেশ অবদান রাখছেন।


মো. তারিফ সরকার টুটুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক। সেই ৯০ দশকের মাঝামাঝিতে ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে পথচলা শুরু। পরে ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 


তেজখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের হাসন্নগর গ্রামের মরহুম মধু মেম্বারের ভাতিজা তারিফ সরকার টুটুল সেই ছোটবেলা থেকেই এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন। তার চিন্তা চেতনা, ভাবনা ও কল্পনায় তেজখালী ইউনিয়নের উন্নয়ন ও অগ্রগতি। বিশেষ করে এই ইউনিয়নের শতভাগ শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করতে চান তিনি। এছাড়া গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো করে তৃণমূলের জীবনমানকে আরও উন্নত করতে চান। অথচ একজন যোগ্য ব্যক্তির হাতে নেতৃত্ব না থাকায় বারবার তেজখালি ইউনিয়ন অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে রাষ্ট্রীয় অনেক সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আর সেই কারণেই আগামীদিনে তেজখালি ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ তরুণ প্রজন্মের অহংকার, সৎ ও সুশিক্ষায় শিক্ষিত তারিফ সরকার টুটুলকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। তেজখালী ইউনিয়নবাসীর চাওয়া পাওয়ার উপর ভিত্তি করে নির্বাচনী মাঠে নামেন তিনি। স্বপ্ন দেখেন একটি সুন্দর আধুনিক সমৃদ্ধশালী তেজখালি ইউনিয়ন গড়ার। 


৩,৩৩৬ একর বা ১৩.৫০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের তেজখালি ইউনিয়নের গ্রামগুলো হলো আকনগর, জয়নগর, ইমামনগর, বিষ্ণুরামপুর, গোটকান্দি, হরিনগর, বারাইলচর, তেজখালি ও হাসন্নগর। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উত্তর পূর্বাংশে তেজখালি ইউনিয়নের অবস্থান। এই ইউনিয়নের দক্ষিণে দড়িকান্দি ও ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন; পশ্চিমে পাহাড়িয়াকান্দি; উত্তরে পাহাড়িয়াকান্দি ও নবীনগর উপজেলার ছলিমগঞ্জ ইউনিয়ন এবং পূর্বে নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি, ছলিমগঞ্জ ও শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন অবস্থিত। 
কৃষি, মৎস, ব্যবসা ও প্রবাসী অঞ্চল হিসেবে খ্যাত তেজখালি ইউনিয়নে ইতোপূর্বে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ফজলুল হক দুদু মিয়া, উপনির্বাচনে গাজী মদন, ডাক্তার সামসুজ্জামান খাঁন, মোহাম্মদ আলী আকবর, আবুল হোসাইন, কাজী আব্দুল কাদের, মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, গাজী ফাইজুর রহমান ফাজিল, ডাক্তার তাজুল ইসলাম। বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এ কে এম শহীদুল হক বাবুল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গা ঢাকা দেন বাবুল চেয়ারম্যান। 


আগামীদিনে একটি সুন্দর তেজখালি ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তারিফ সরকার টুটুল। তিনি জয়নগর পূর্বপাড়া জামে মসজিদ, জয়নগর ভোলা মার্কেট বায়তুস সালাম জামে মসজিদ, ইমাম নগর জামে মসজিদ, আকানগর উত্তর পাড়া মসজিদ, আকানগর শাহ সাহেব বাড়ি জামে মসজিদ, আকানগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, হানারপাড় জামে মসজিদ, বিষ্ণুরামপুর জামে মসজিদ, তেজখালি জামে মসজিদ, বারাইলচর জামে মসজিদ, হাসন্নগর জামে মসজিদ সহ আরও অনেক মসজিদের উন্নয়ন করতে চান। তাছাড়া এই ইউনিয়নের জয়নগর ঈদগাহ, আকানগর ঈদগাহ, বিষ্ণুরামপুর ঈদগাহ, তেজখালি ঈদগাহ, হাসন্নগর ঈদগাহের উন্নয়নেও কাজ করা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সাথে জয়নগর গ্রামে অবস্থিত আদম আলি শাহের মাজার, আকানগর গ্রামে শাহ সাহেবের মাজার, আকানগর হানার পার অবস্থিত হোসেন শাহের মাজার, ওমর কাজীর মাজার, কুডুকারির মাজার, সামাদ কারীর মাজারের উন্নয়ন করতে চান। পাশাপাশি জয়নগর কবরস্থান, আকানগর কবরস্থান, গোটকান্দি কবরস্থান, বিষ্ণুরামপুর কবরস্থান, তেজখালি কবরস্থান, হাসন্নগর কবরস্থানের উন্নয়ন করতে আগ্রহী। সেই সাথে জয়নগর রামকুমারের বাড়ির মন্দির ও হরিনগর গ্রামের মন্দিরের জন্য কাজ করবেন। 
তারিফ সরকার টুটুল তেজখালি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও আকানগর এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে চান। আকানগর বাজার, বিষ্ণুরামপুর বাজার ও তেজখালি বাজার এই এলাকার মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয় কৃষক, জেলে থেকে শুরু করে অসংখ্য মানুষের জীবন ও জীবিকার অন্যতম জায়গায় এই হাটবাজারগুলো। এগুলোর উন্নয়ন করতে চান টুটুল। 


তেজখালি ইউনিয়নের শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ থেকে শুরু করে উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে তেজখালি ইউনিয়নকে দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তরুণ প্রজন্মের অহংকার তারিফ সরকার টুটুল। আগামীদিনে এলাকার মানুষে ভালবাসা ও দোয়া এবং সমর্থনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে পুরো ইউনিয়নকে সত্যিকার অর্থেই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত করবেন। তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন তেজখালি ইউনিয়নে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তেজখালী ইউনিয়নে কলেজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন রয়েছে। 
তারিফ সরকার টুটুল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে রাজনীতি করেন। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি সুখি সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশের। জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন তারই সুযোগ্য সন্তান বিএনপির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিগত সময়ে নানাভাবে নির্যাতিত ছিলেন তারিফ সরকার টুটুল। তারপরও দলের র্দুদিনে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন বিএনপির সকল নেতাকর্মীদের জন্য কাজ করে যাবেন। এই এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, তথ্য প্রযুক্তি, যোগাযোগ থেকে শুরু করে গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ আর্থ সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন তারিফ সরকার টুটুল। তিনি তেজখালী ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন।

Side banner 1 Side banner 2