• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.

একদিনের ভ্রমণে দাউদকান্দি


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান পামেন এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১১:১৮ পিএম একদিনের ভ্রমণে দাউদকান্দি

সকাল ৭টা বাজে। রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবরের দক্ষিণপাশে আমি ও শরীফুল ইসলাম বসে আছি। মিনিট পাঁচেক পর খালেদ মোশারফর মিঠু এসে যোগ দেয়। এরই মধ্যে কথা হয় মহিউদ্দিনের সাথে। নাস্তার অর্ডার দেয়া হয়। 
রাজনীতি, অর্থনীতি থেকে শুরু করে রাজধানী ঢাকার যান্ত্রিক জীবনসহ নানা বিষয়ে কথা চলতে থাকে। বিশেষ করে শহুরে-একঘেয়ে যান্ত্রিক জীবন থেকে ক্ষণিকের জন্যে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে। নৈসর্গিক পরিবেশ মুহুর্তে ভুলিয়ে দেবে যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি। চোখের মানসপটে ভেসে উঠে গ্রামের মেঠো পথ। সবুজ শ্যামল, ছায়া ঢাকা, পাখি ঢাকা, শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ। আচমকা মহিউদ্দিনের ডাকে ধ্যান ভাঙ্গে। ওর সাথে আসে নূরে আলম নয়ন।


সকালের শান্ত স্নিগ্ধ সুন্দর পরিবেশে বন্ধুদের নাস্তা খাওয়া চলতে থাকে। এরই ফাঁকে মহিউদ্দিন প্রস্তাব করে তার গ্রামের বাড়ি দাউদকান্দিতে একদিনের ট্যুর দিতে। ওর প্রস্তাবে একবাক্যে সবাই রাজি হয়ে যায়। দিনক্ষণ ঠিক হয়। পরের শুক্রবার অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল।


মহিউদ্দিন মাহমুদ দাউদকান্দি উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান। দাউদকান্দি পৌরসভার দোনারচরের তালুকদার পরিবারের সন্তান। তার বাবা হাশেম তালুকদার একজন সমাজসেবক ও এলাকার উন্নয়ন অগ্রগতিতে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। রাজনীতি ও সমাজসেবার মাধ্যমে আমৃত্যু এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন হাশেম তালুকদার। বাবার মতো মহিউদ্দিনও একজন সামাজিক মানুষ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বন্ধুদের পাশাপাশি এলাকার কিছু বন্ধুদেরও নিমন্ত্রণ করে। তবে ঢাকার বন্ধুদের অনুরোধেই সংখ্যা ১২-১৫ জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়। 


নানা জল্পনা কল্পনায় অবশেষে চলে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ১০ এপ্রিল শুক্রবার, রাজধানী ঢাকা থেকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া হয়। সকাল ৭টার মধ্যেই টিপু, শাহেদ, নাহিদ, শরীফ, পামেন, নয়ন, সুমন, মিঠু, মারুফ গাড়িতে উঠে বসে। বন্ধু নাহিদ অবশ্য বন্ধুত্বের টানে অদৃশ্য ভালবাসায় গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে এসে যোগ দেয়। 


অন্যদিকে বন্ধু নাজমুল মনির আখড়া থেকে দাউদকান্দির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। চান্দিনা থেকে আশিকুর রহমান আশিক, কচুয়া থেকে সম্পদ দেবনাথ পার্থও সাতসকালে রওনা দেয়। এরা সবাই মহিউদ্দিনের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বন্ধু। একসাথে সবাই নিউ হোস্টেলে থেকে পড়াশুনা করেছে। তাছাড়া আগে থেকে দাউদকান্দির বন্ধু নাহিদুজ্জামান সুমন, টিপুসহ অন্যরা ঢাকার বন্ধুদের জন্য অপেক্ষা করছিল।


আলাউদ্দিন গাড়ি ড্রাইভ করছে। দাউদকান্দির উদ্দেশ্যে গাড়ি চলছে। কলেজ জীবনের নানা স্মৃতি চোখে ভাসছে। খোশগল্প, হাসি-আনন্দ, নানা স্মৃতিচারণে কখন যে দাউদকান্দি চলে এলো টেরও পেল না। পৌরসভার শহীদ রিফাত পার্কে গাড়ি থামলো। তারপর ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকানে বন্ধুদের সকালের নাস্তা খাওয়ার ধুম। আগেই কথা ছিল, সকালের নাস্তা খাওয়াবে খালেদ মোশাররফ মিঠু। বাংলাদেশ লেদার এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মোশাররফ মিঠু বরাবরই বন্ধুদের ব্যাপারে যথেষ্ঠ আন্তরিক। তার বাবা পৌরসভার একজন সম্মানিত ব্যক্তি। 


সকালের নাস্তা শেষ করেই মিঠুদের বাসায় যাওয়া হয়। সেখানেও মিঠুর মা ফলফ্রুট, চা নাস্তার ব্যবস্থা করে। বেশকিছু সময় মিঠুদের বাসায় প্রাণবন্ত আড্ডা চলে। ইতোমধ্যে ট্রলার ঠিক বন্ধু নাহিদুজ্জামান সুমন। উদ্দেশ্যে গোমতী-মেঘনা নৌ ভ্রমণ।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দাউদকান্দি পৌরসভার ঘাট থেকে ট্রলার ছাড়া হয়। বন্ধুরা ট্রলারে উঠে বসে। ট্রলার চলতে থাকে।
গোমতী নদীর তীর ঘেঁষে হাঁটতে থাকা মানুষ, জেলেদের মাছ ধরা, দুরন্ত কচিকাঁচাদের সাঁতার কাটা, অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত গ্রামীণ পরিবেশের সুনিবিড় ছোঁয়ার অনুভূতি সত্যি খুব চমৎকার। নদীর হালকা ঢেউ, স্বচ্ছ জলরাশি, স্নিগ্ধ বাতাসে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। এরই মধ্যে গোমতী নদী পার হয়ে মেঘনা নদীর নির্দিষ্টস্থানে এসে ট্রলার থামে। বন্ধুরা সেই কিশোর জীবনে ফিরে যায়। গামছা, লুঙ্গি পরে নদীতে নেমে যায়। 


মেঘনা নদী, বাংলাদেশের দীর্ঘতম এবং সবচেয়ে মায়াবী নদীগুলির মধ্যে একটি। দেশের হৃদয়ের মধ্য দিয়ে একটি পাতলা সুতোর মতো প্রবাহিত হয়, যা চিত্তাকর্ষক প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পথ রেখে যায়। একটি অনন্য এবং নিমগ্ন অভিজ্ঞতার সন্ধানকারী ৯৬ ব্যাচের একঝাঁক নির্ভীক ভ্রমণকারীর জন্য, মেঘনা নদীর ধারে একটি বিচরণ অভিযান শুরু করা অন্য কোনও আবিষ্কারের যাত্রার প্রতিশ্রুতি দেয়। যার অংশীদার হয় বন্ধু মহিউদ্দিনের কল্যাণে ও আন্তরিকতায়। 


মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে এক উদ্যোগে আত্মাকে প্রশান্তির অনুভূতি আচ্ছন্ন করে। নদী বেষ্টিত সবুজ গাছপালা, প্রচুর পাখি জলজপ্রাণী, উদ্ভিদ এবং তীরের বিপরীতে জলের মৃদু আঁচল নির্মলতার পরিবেশ তৈরি করে, এটি ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি আদর্শ স্থান। হয়তো সেই কারণেই সাংবাদিক মনিরুজ্জামান পামেন ছবি তোলায় নিমগ্ন থাকে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের হাইওয়ে দাউদকান্দি-গজারিয়া সংলগ্ন মেঘনা নদীতে স্নানের সাক্ষী হতে চলেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের নিউ হোস্টেলের ৯৬ ব্যাচের একদল বন্ধু। মেঘনার মনোমুগ্ধকর দৃষ্টি উপভোগ ও তরমুজ খাওয়ার দৃশ্য যেন পাতায়ার সীবিচকে হার মানিয়ে দেয়।


হই হুল্লোড় হাসি আনন্দে স্নান শেষ করে। তবে বন্ধু নাহিদ ও শরীফ নৌকা থেকে নদীতে নামেনি। আর পামেন নামলেও গোসল করেনি। সে ছবি তুলতেই যেন ব্যস্ত।
গোসল শেষ হয়। অনেক বছর পর নদীতে সাঁতার কেটে গোসল করার মধ্যে অন্যরকম অনুভূতি অনুভব হয়। দেহমন যেন সতেজ প্রাণবন্ত হয়ে উঠে। নিজের ভাললাগার কথা বলে ব্যাংকার বন্ধু সাইদুর রহমান শাহেদ। একইভাবে অনুভূতি ব্যক্ত করে বন্ধু ওসি নূরে আলম নয়ন ও টিপু। অবশ্য বন্ধুদের মধ্যে টিপুই সবচেয়ে বেশি সময় সাঁতার কাটে। সে এক অন্যরকম দৃশ্য। 
গোসল পর্ব শেষ করে বারোটার মধ্যেই মহিউদ্দিনের তালুকদার বাড়িতে চলে আসে। তারপর পবিত্র জুম্মা নামাজ আদায় করে। 
এবার দুপুরের খাওয়ার পর্ব। বন্ধুদের জন্য এলাহী আয়োজন করে মহিউদ্দিন। নানাপদের মাছ, মাংস, ডাল, সব্জী। পেটপুরে খায় বন্ধুরা। রান্নার তারিফ করে সবাই। তারপর খানিকটা বিশ্রাম। আধাঘণ্টা পর বন্ধু সুমনের তাড়া। ট্রলার ঘাটে এসে অপেক্ষা করছে। নদীপথে সুমনদের গ্রামের বাড়ি গঙ্গাপ্রসাদ যেতে হবে। 
নাহিদ বেশ ক্লান্ত। সে গঙ্গাপ্রসাদ যেতে চাইছে না, আবার নৌভ্রমণের লোভও সামলাতে পারছে না। একপর্যায়ে বন্ধুদের পীড়াপীড়ি ও গ্রামীণ জনজীবন উপভোগ এবং সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করার নিমিত্তে উঠে বসে। 


মহিউদ্দিনের বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে দাউদকান্দি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করে বন্ধুরা। স্কুলের পরিবেশ সবাইকে মুগ্ধ করে। পাঠাদান ভাল বুঝা যায়। এখানে ফটোসেশন করে। তারপর হাঁটতে হাঁটতে নদীর ঘাটে আসে। 
ট্রলার চালক নাসির উদ্দিন অপেক্ষা করছে। গোমতী নদীতে মৃদু ঢেউ। বিকালে নৌভ্রমণের আনন্দ ও উত্তেজনা এক অন্যরকম শিহরণ জাগায়। কারও মুখে ক্লান্তির ছাপ নেই। বর্ষা না হলেও নদী ও প্রকৃতির বিশালতায় খানিকটা সময়ে জন্য হৃদয় হারিয়ে যায়। বেশ উপভোগ করে আরিফুজ্জামান নাহিদ ও উপ সচিব মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। প্রকৃতির কাছে হারিয়ে যায় ব্যাংকার মারুফ ও আশিকুর রহমান আশিক।
আধাঘণ্টার মধ্যেই ট্রলার গঙ্গাপ্রসাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘাটে এসে ভীড়ে। গ্রামীণ নয়ন জুড়ানো আর মন ভুলানো দৃশ্য ও মানুষের হৃদ্যতা-সরলতা-আন্তরিকতার ছাপ স্পষ্টপ্রতিয়মান। মিনিট দশেক হাঁটার পর বন্ধু নাহিদুজ্জামান সুমনদের বাড়িতে পৌঁছে যায়। তবে বাড়ির ভিতরে প্রবেশের পূর্বেই সুমনের বাবার সাথে দেখা হয়। কুশল বিনিময়েই বুঝা যায়, তিনি একজন আদর্শ বাবা। 


গ্রামীণ পরিবেশে সুমনদের বাড়িতে নান্দনিকতার ছাপ, আভিজাত্যে ও ঐতিহ্যে যে কেউ বিমোহিত হবে, এতে কোন সন্দেহ নেই। সন্তানের বন্ধুদের জন্য সুমনের মায়ের আন্তরিকতা, স্নেহ, ভালবাসার যে কমতি নেই, তা বিকেলের নাস্তা দেখেই বুঝা গেছে। নানা ধরনের পিঠার আয়োজন ছিল। তাছাড়া গাছের তাজা ডাবের পানি শরীরের সমস্ত ক্লান্তি দূর করে দেয়। পুরো ভ্রমণে বাড়তি আনন্দ যোগ করে সুমনদের বাড়ি ও গঙ্গাপ্রসাদ গ্রামের গ্রামীণ পরিবেশ।
এবার ফিরে যাবার পালা।
গোমতী নদী এবং এর আশেপাশের জলাভূমি জীববৈচিত্র্যের ভান্ডার। পড়ন্ত দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা, রাত নানাভাবে নানা পরিবেশে সাক্ষী। ভ্রমণ পিপাসু মানুষেরা হারিয়ে যাবে নিঃশব্দে। বেলা যত ঘনিয়ে আসছে, গোমতী নদীর সূর্যাস্তের অপূর্ব সৌন্দর্যের সাথে নিজেদের সাক্ষী করে রাখে নিউ হোস্টেলের ৯৬ ব্যাচের একদল বন্ধু। 
ইতোমধ্যে আকাশটি প্রাণবন্ত রঙের ক্যানভাসে রূপান্তরিত হয়, গোমতীর শান্ত জলের প্রতিফলন করে, একটি চিত্র-নিখুঁত মুহুর্ত আঁকা যা চিরকাল স্মৃতিতে গেঁথে রাখা যায়। সন্ধ্যা, নদী ও দুপাশের ক্ষেতখামার এবং পোঁকামাকড়ের ডাকে হারিয়ে যায় বন্ধু সম্পদ দেবনাথ পার্থ।
ঘনসবুজের গ্রাম গঙ্গাপ্রসাদ ছেড়ে রাত সাড়ে ৭টার দিকে পূণরায় দাউদকান্দি ফিরে আসে ৯৬ ব্যাচের বন্ধুরা। খানিকটা সময়ের জন্য পৌরসভার রিফাত পার্কে চেয়ার নিয়ে বসে। আগে থেকেই বসা ছিল দাউদকান্দির ৯৬ ব্যাচের বন্ধু মো. জাকির হোসেন। চায়ের অর্ডার দেয়। ইতোমধ্যে খালেদ মোশাররফ মিঠুর বাবা এসে হাজির হন। তার সাথে সকালে ঢাকা থেকে আগত বন্ধুদের দেখা হয়নি। আর সেই কারণেই সন্ধ্যায় তিনি দেখা করতে আসেন। তার আন্তরিকতা, স্নেহ ও ভালবাসা বাড়তি আনন্দ যোগ করে। 
এবার ঢাকায় ফেরার পালা।
গাড়িতে উঠে বসে বন্ধুরা। সেই সাথে একদিনের দাউদকান্দি ভ্রমণ, বন্ধু মহিউদ্দিন মাহমুদ, খালেদ মোশাররফ মিঠু, নাহিদুজ্জামান সুমনসহ দাউদকান্দির অন্যান্য বন্ধুদের আপ্যায়ন, ভালবাসা বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। একই সাথে স্মৃতির মণিকোঠায় অনন্ত সময় ভাস্বর হয়ে থাকবে, এতে কোন সন্দেহ নেই। 
গাড়ি চলছে।
গোমতী নদীর ব্রিজ পার হয়ে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে রাস্তা ধরে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে কুমিল্লার দাউদকান্দির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য, বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত, মেঘনা নদী, গোমতীর নৌভ্রমণ, মাঝি নাসির, গঙ্গাপ্রসাদ গ্রাম, মহিউদ্দিনের আমগাছের কাঁচা আমের ভর্তা, দাউদকান্দি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে দাঁড়িয়ে ফটোসেশন-এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে গাড়ি ঢাকা চলে এলো টেরও পাওয়া গেল না।
রাত ১১টার দিকে বাসায় ফিরে এলাম। পাঞ্জাবির পকেটে হাত দিয়ে শরীফের ওষুধের প্যাকেট পাওয়া গেল। ফোন দিয়ে তাকে জানানোর পূর্বেই ছোট ছেলে জেইন চিৎকার করে উঠলো। মোবাইল রেখে দৌঁড়ে বাচ্চাকে কোলে তুলে নিলাম। 
রাত ১২টার দিকে ঘুমোতে গেলাম। সারাদিনের হাসি আনন্দগুলো চোখের মানসপটে ভাসতে থাকে। 

Side banner