ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে কারাদণ্ড এবং একজনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মেঘনা নদীর মরিচা লঞ্চঘাট এলাকায় পরিচালিত মোবাইল কোর্টে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের অভিযোগে আনলোড বডির ১১ জন শ্রমিককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে অপর একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তারিকুল ইসলাম। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) রবিউল হাসান ভূইয়াসহ স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মরিচা লঞ্চঘাট এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছিল। এ বিষয়ে একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৩ মাসে মেঘনা নদীতে কমপক্ষে ৪ টি অভিযান পরিচালনা করা হলেও, মেঘনা নদী হতে বালু উত্তোলন বন্ধ করা যাচ্ছে না। মেঘনার বালুদস্যুরা এতোটাই প্রভাবশালী যে, তারা কাউকেই তোয়াক্কা করছে না।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার তারিকুল ইসলাম জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাঞ্ছারামপুর মেঘনা নদীতে আটক ও ১১জন কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলো যথাক্রমে নিরব (২৬), পারভেজ (২৩), দেলোয়ার হোসেন (৬৫), জুবায়ের মৃধা ((২১), জয়নাল আবেদিন (২২), আমির আলী ((৩৫), রাকিব গাজী (২৭), মাসুদ বয়াতি (২৮), সোহেল রানা (৩০), সফর আলী (৫৫) এবং সালাউদ্দিন (৫২)।
আপনার মতামত লিখুন : :