• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.

ভোলায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর লুট


বাঞ্ছারামপুর বার্তা | স্টাফ রিপোর্টার এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম ভোলায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর লুট

ভোলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরদিন ভুক্তভোগীর পিতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) এ ঘটনায় পুলিশ মিরাজ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, মনপুরা থানায় দায়ের করা মামলার নম্বর-৩, তারিখ: ১২ এপ্রিল ২০২৬। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত)-এর ৯(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪৫৭/৩৮২/৩০৭/২০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরযতিন এলাকায় গত ১২ মার্চ গভীর রাতে তিন থেকে চারজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একটি বসতঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা গৃহবধূকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। এ সময় প্রধান অভিযুক্ত মিরাজ (২৫)সহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা ওই গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার সময় মোবাইল ফোনের আলোতে তিনি অভিযুক্ত মিরাজকে শনাক্ত করতে সক্ষম হন। হামলাকারীরা তার কানে থাকা স্বর্ণের দুল, নাকফুল এবং একটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
ঘটনার পরপরই বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানায় এবং নিরাপত্তার জন্য বাড়িতে সতর্কতামূলক পাহারার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এরই মধ্যে রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১টার দিকে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করলে ভুক্তভোগীর পিতা তাকে আটক করার চেষ্টা করেন।
এ সময় অভিযুক্ত মিরাজ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে রেফার করা হয়েছে।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Side banner