ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড হলো ৭নং ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডটি দুর্গারামপুর, টেকপাড়া-ভিটিঝগড়ার গ্রাম নিয়ে গঠিত। বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন, থানা, বাঞ্ছারামপুর সরকারি হাসপাতাল, বাঞ্ছারামপুর বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শুরু করে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ অনেক সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আর সেই কারণেই বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলকে অত্যন্ত দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হতে হয়। তাছাড়া এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যাও অনেক বেশি। বর্তমানে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে (দুর্গারামপুর, টেকপাড়া-ভিটিঝগড়ারচর) মোট ভোটার ৩ হাজার ৮শত ৯৯জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ হাজার ৮শত ৯৫জন, মহিলা ভোটার ২ হাজার ৪জন।
আগামী ঈদুল আজহার পর দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ধাপে ধাপে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও দ্বিতীয় ধাপে পৌরসভার ভোট গ্রহণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচন এবং সব শেষে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, দেশে ৩৩০টি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভাও রয়েছে। আর সেই কারণেই এই পৌরসভার সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন কৌশলে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক প্রার্থীরা মাঠে নেমে পড়েছে।
বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে বেশ কয়েকজন প্রার্থী থাকলেও জনমত জরিপে এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছেন আলহাজ¦ গোলাম মোস্তফা ব্যাপারী। তিনি ওয়ার্ডবাসীর কাছে একজন স্বচ্ছ ও ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নিবেদিতপ্রাণ। আর সেই কারণেই ৭নং ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষ গোলাম মোস্তফা ব্যাপারীকেই কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায়।
বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ ৭নং ওয়ার্ডবাসীর আশা আকাঙ্খার বাস্তব প্রতিফলন গোলাম মোস্তফা ব্যাপারীর মাধ্যমেই সম্ভব বলে জানিয়েছেন ভোটাররা। সময়ের সাথে সাথে ওয়ার্ডবাসীর আস্থা বিশ্বাস ভরসা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে গোলাম মোস্তফা ব্যাপারী।
এখানেই শেষ নয়, গোলাম মোস্তফা ব্যাপারী ৭নং ওয়ার্ডবাসীর কাছে একজন সহজ সরল মানুষ হিসেবে পরিচিত। ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সাথে দল মত, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ওৎপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মোস্তফা ব্যাপারীর নাম।
সাদাসিধে জীবনযাপন করা গোলাম মোস্তফা ব্যাপারী নিজের ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজ ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মন জয় করে তাদের ভালবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী। বিশেষ করে মৎস ও প্রাণী সম্পদ সেক্টরে তার ও তার পরিবারের অনন্য অবদান রয়েছে। তার এই সফলতার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ তার অতি সাধারণ জীবনযাপন ও মানুষের বিপদে আপদে সর্বক্ষণ পাশে থাকার এক অদম্য মানসিকতা। যা তাকে ৭নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যমণি করে রেখেছে। দিনরাত ঝড় বৃষ্টি সব প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে মানুষের বিপদে আপদে সর্বদা পাশে দাঁড়িয়েছেন। ওয়ার্ডের কেউ কোন সমস্যা নিয়ে তার কাছে এলে শত ব্যস্ততার ভিড়েও হাসিমুখে ধৈর্য সহকারে তাদের কথা শুনেছেন, সমস্যা সমাধানের সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন। এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে রেখেছেন অসামান্য অবদান।
গোলাম মোস্তফা ব্যাপারী ছেলে রেমিটেন্স যোদ্ধা মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামও একজন সফল ব্যবসায়ী। দেশ বিদেশে ব্যবসার মাধ্যমে রাজস্বখাতে বিশেষ অবদান রাখছেন।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভা ২০১৩ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় মোট ভোটার ২৫ হাজার ৫শত ২৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ হাজার ৭শত ৬০ জন, মহিলা ভোটার ১২ হাজার ৭শত ৬৮ জন। মোট পরিবার প্রায় ৪ হাজার। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যাংশে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার অবস্থান। এ পৌরসভার দক্ষিণে উজানচর ইউনিয়ন, পূর্বে ছলিমাবাদ ইউনিয়ন, উত্তরে সোনারামপুর ও দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন এবং পশ্চিমে আইয়ুবপুর ইউনিয়ন ও বাঞ্ছারামপুর সদর ইউনিয়ন অবস্থিত।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাঞ্ছারামপুর উত্তর ইউনিয়নের বাঞ্ছারামপুর, দশদোনা, জগন্নাথপুর, দুর্গারামপুর, ভিটি ঝগড়ারচর, সফিরকান্দি, নতুনহাটি এবং দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের আছাদনগর গ্রাম নিয়ে এ পৌরসভা গঠিত হয়।
আপনার মতামত লিখুন : :