ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউনিয়ন হলো সোনারামপুর। এই ইউনিয়নে দেশবরেণ্য অগণিত কৃতি সন্তানের জন্ম হয়েছে। এসব কৃতি সন্তানেরা এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অসামান্য ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি এদের অনেকেই আবার ‘বাংলাদেশ’ নামক এই রাষ্ট্রের গর্বিত অংশীদার। যাদের অনুকরণ ও অনুসরণ করে এ প্রজন্মের অনেকেই এগিয়ে যাচ্ছেন।
বর্তমানে বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যে কয়েকজন তরুণ নিজেদের মেধা, মনন, প্রজ্ঞা এবং কঠোর পরিশ্রমে এগিয়ে যাচ্ছেন তাদের একজন খালিদ মাহফুজ জেবাল। বাড়ি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর গ্রামে। তার পিতা মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ জাকারিয়া (লতিফ ডাক্তার) ছিলেন সোনারামপুর ইউনিয়নের প্রধান বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার এবং বাঞ্ছারামপুর সোবহানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সিনিয়র সহকারী শিক্ষক।
বিশ্ব বরেণ্য পীর হযরত মাওলানা ক্বারি ইবরাহীম (রহ:) সাহেবের সুযোগ্য খলিফা মরহুম মৌলভি জাওয়্যাদ আলী (রহঃ) সাহেবের সুযোগ্য সাহেবজাদা মাওলানা ফজলুর রহমান (রহঃ) (দেওবন্দ) এর দৌহিত্র।
খালিদ মাহফুজ (জেবাল) বি.এ (ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য), এম.এ (আধুনিক ইংরেজি সাহিত্য ও সংস্কৃতি), পোটসডাম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, জার্মানি; গবেষক, উত্তর-উপনিবেশ রাষ্ট্রে জাতিগত ও ব্যক্তিগত বিভেদ জাতীয় উন্নয়নের অন্তরায়।

খালিদ মাহফুজ জেবালের চাচা মাওলানা মোহাম্মদ কামরুদ্দিন, সহকারী প্রধান শিক্ষক (অবঃ), দড়িয়াদৌলত আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়। বড় চাচা মরহুম জহুরুল ইসলাম ছিলেন সোনারামপুর ইউনিয়ন পরিষদের একাধিকবার নির্বাচিত সদস্য। এছাড়া তার চাচাতো ভাই সোনারামপুর গ্রামের অন্যতম মেধাবী কৃতি সন্তান ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার (ইন্টারভেশনাল নিউরোলজি) ডাক্তার আবু ইসহাক (এম.বি.বি.এস), (বিসিএস স্বাস্থ্য), (এফসিপিএস নিউরোলজি)।
খালিদ মাহফুজ জেবালের পিতা মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ জাকারিয়া ওরফে লতিফ ডাক্তার একজন সামাজিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আমৃত্যু মানুষ ও মানবতার সেবায় নিয়োজিত ছিলেন জেবালের গর্বিত পিতা লতিফ ডাক্তার। তাছাড়া সোনারামপুর ইউনিয়নের মধ্যে যে কয়েকটি পরিবার শিক্ষা ও সামাজিক মর্যাদায় বিশেষ স্থানে অবস্থান করছে তার মধ্যে জেবালদের পরিবার অন্যতম। এই পরিবারে অগণিত কৃতি সন্তানের জন্ম হয়েছে।
বর্তমান সময়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তরুণ প্রজন্মের আইকন খালিদ মাহফুজ জেবাল। তিনি বাংলাদেশের একজন সফল রেমিটেন্সযোদ্ধা ও ব্যবসায়ী। অল্প বয়সে নিজের সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতায় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আজকের এই পর্যায়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

খালিদ মাহফুজ জেবাল স্বপ্ন দেখেন সত্য ও সুন্দরের। অসাম্প্রদায়িক চিন্তা চেতনায় বিশ্বাসী ও সামাজিক সচেতন জেবাল সোনারামপুর ইউনিয়নকে নিয়ে সুন্দর স্বপ্ন দেখেন। মেঘনার কোলঘেষা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলাভূমি সোনারামপুর ইউনিয়নকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে অন্যতম সেরা ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। তার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি সুন্দর উন্নত সমৃদ্ধ সোনারামপুর ইউনিয়ন গড়তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং সুন্দর পরিকল্পনায় স্বপ্ন বুনছেন। তিনি আসন্ন সোনারামপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সম্মিলিত সচেতন নাগরিক সমাজের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন।
সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে নানা কারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সোনারামপুর ইউনিয়ন। অথচ একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ ইউপি চেয়ারম্যান না থাকার কারণে উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে অবহেলিত ইউনিয়নে অবস্থান করছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে সুন্দর সোনারামপুর ইউনিয়ন বিনির্মাণে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ খালিদ মাহফুজ জেবাল।
প্রবাসী অধ্যুষিত সোনারামপুর ইউনিয়ন কৃষি ও মৎসচাষে অপার সম্ভাবনাময়। তাছাড়া মেঘনার কোলঘেষা এই ইউনিয়ন শিল্প উন্নয়নে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। প্রয়োজন একজন দক্ষ চেয়ারম্যান এবং সঠিক পরিকল্পনা। যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বছরে পর বছর ধরে বঞ্চিত হচ্ছে সোনারামপুর ইউনিয়ন। আর সেই কারণেই এই ইউনিয়নের মানুষ এবার নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে।
খালিদ মাহফুজ জেবাল সরাসরি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে এখন পর্যন্ত সম্পৃক্ত নন। তবে তিনি রাজনৈতিক সচেতন মানুষ। এলাকার খেটে খাওয়া শ্রমজীবী সাধারণ মানুষকে তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন। মানুষের দুঃখ কষ্ট এবং সাধারণ মানুষের জীবন ও জগৎ সম্পর্কে তার স্বচ্ছ ধারণা রয়েছে। একই সাথে শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন এবং অগ্রগতিতে কিভাবে একটি এলাকাকে এগিয়ে নেয়া যায়, রাষ্ট্রের উন্নয়নগুলো কিভাবে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া যায়, এসব সম্পর্কে অবগত উচ্চ শিক্ষায় সুশিক্ষিত সোনারামপুর ইউনিয়নের গর্বিত সন্তান খালিদ মাহফুজ জেবাল। তিনি মনেপ্রাণে সোনারামপুর ইউনিয়নের জনগণকে ভালবাসেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে কাজ করে যেতে চান।
পারিবারিক ভাবে সৎ, নীতিবান, আদর্শিক ও উচ্চশিক্ষিত একজন তরুণ প্রজন্মের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে সোনারামপুর ইউনিয়নের জনগণের সকল নাগরিক সেবা শতভাগ নিশ্চিত হবে ও একটি আধুনিক মডেল সোনারামপুর ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হবে বলে এলাকাবাসীর বিশ্বাস। তিনি একজন প্রার্থী হিসেবে তরুণ প্রজন্ম, যুবসমাজ, প্রবাসী, শিক্ষিত সমাজসহ সকল শ্রেণির মানুষের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন। তিনি এলাকার সর্বজনশ্রদ্ধেয় নীতিনির্ধারকদের পূর্ণ সমর্থন প্রত্যাশি। সোনারামপুর ইউনিয়নের সকল মানুষের ভালবাসা ও দোয়া কামনা করছেন খালিদ মাহফুজ জেবাল।
আপনার মতামত লিখুন : :