সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যানের রুমে ঢুকে তার আসনে বসে টিকটক ভিডিও ধারণ করেন এক তরুণী। ইতোমধ্যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
এ ঘটনায় শুক্রবার (২৯ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোলাপগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সেইসঙ্গে গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি। এ ছাড়া, কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে উপজেলা পরিষদের তিন কর্মচারীকে।
ভাইরাল ওই ভিডিওতে উপজেলা চেয়ারম্যানের আসনে বসে গানের সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়ে অভিনয় করতে দেখা গেছে এক তরুণীকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পটপরিবর্তনের পর গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মনজুর কাদির শাফি চৌধুরী প্রবাসে চলে যান। তিনি সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ছিলেন। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের অপসারণ করা হলে প্রশাসকের দায়িত্ব পান গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এরপর থেকে কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল। সেই কক্ষে টিকটক ভিডিও ধারণের ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে বেশ সমালোচনা শুরু হয়।
উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের কয়েজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি উপজেলা পরিষদে দুই তরুণী জন্মনিবন্ধনের কাজে গিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের তালাবদ্ধ কক্ষে প্রবেশ করে টিকটক ভিডিওটি ধারণ করেন তারা। ওই কক্ষের মূল দরজাটি তালাবদ্ধ থাকলেও পাশের আরেকটি কক্ষ দিয়ে সেখানে প্রবেশ করা যায়।
উপজেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেও চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বসেন না বলে জানিয়েছেন ইউএনও মিলটন চন্দ্র পাল। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, টিকটক ভিডিওটি দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রধান করে আজ তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন : :