• ঢাকা
  • বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
Bancharampur Barta
Bongosoft Ltd.
কায়েস সিকদার

ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, প্রতিহিংসা চাই না


বাঞ্ছারামপুর বার্তা জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১০:২৪ এএম ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, প্রতিহিংসা চাই না

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে ফুটবল প্রতীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ আবু কায়েস সিকদার। প্রতীক পাওয়ার পরপরই নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন তিনি। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন বাঞ্ছারামপুর বার্তার সাথে। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তা তুলে ধরা হলো। 


বাঞ্ছারামপুর বার্তা: আপনি কেমন আছে?
কায়েস সিকদার: মহান আল্লাহপাকের অশেষ রহমতে আমার নিজ উপজেলা বাঞ্ছারামপুরবাসীর দোয়া ও ভালবাসায় ইনশাল্লাহ ভাল আছি।
বাঞ্ছারামপুর বার্তা: প্রথমেই জানতে চাচ্ছি বাঞ্ছারামপুরের জনগণ কেন আপনাকে ভোট দিবে?
কায়েস সিকদার: দেখুন, দীর্ঘদিন এ দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। আপনারা জানেন, গণ-অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ তার নিজের ভোট একজন সৎ, যোগ্য এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানবিক গুণাবলীর ভাল মানুষকেই ভোট দিতে চায়। আমি মনে করি বাঞ্ছারামপুরবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন, চাওয়া-পাওয়া, আশা-আকাঙ্খার বাস্তব প্রতিফলন একমাত্র আমার মাধ্যমেই সম্ভব, আর সেই কারণেই দিনশেষে এখানকার জনগণ আমাকেই বেছে নিবে এবং ফুটবল মার্কায় ভোট দিয়ে বিশাল ব্যবধানে আমাকে জয়ী করবে। 


বাঞ্ছারামপুর বার্তা: নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিষয়ে আপনার মনোভাব কী?
কায়েস সিকদার: নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। প্রতিযোগিতা থাকবে, তবে আমি প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। একইভাবে প্রত্যাশা করি, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস রাখবেন না।
বাঞ্ছারামপুর বার্তা: নির্বাচনে জয়ী হলে কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার দিবেন?
কায়েস সিকদার: বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নিয়ে আমার ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। মাদকমুক্ত করা, চাঁদাবাজমুক্ত বাঞ্ছারামপুর গঠন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি অবকাঠামো উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন আমার অগ্রাধিকার। এ ছাড়া দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, বাঞ্ছারামপুরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন স্থাপন ও বেকার তরুণ-তরুণীদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরির বিষয়ে জোর দেব। সড়ক সংস্কার করে যাতায়াত ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটাতে চাই।
বাঞ্ছারামপুর বার্তা: যদি বিজয়ী হন, সে ক্ষেত্রে পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বিষয়ে আপনার অবস্থান কী হবে?
কায়েস সিকদার: দলমত-নির্বিশেষে আমি বাঞ্ছারামপুরের সবার প্রতিনিধিত্ব করব। পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা অবশ্যই নিরাপদে থাকবেন। ভোটের মাঠে প্রতিযোগিতা থাকবে, তবে প্রতিহিংসা থাকবে না।


বাঞ্ছারামপুর বার্তা: সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সম্মানী ও বরাদ্দের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন?
কায়েস সিকদার: আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে সংসদে যাব। ইনশাল্লাহ সব বরাদ্দ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। তাছাড়া মহান আল্লাহপাক আমাকে যথেষ্ঠ দিয়েছেন, আমি অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আয় থেকে যা আসে সেখান থেকেও আমি সামাজিক-মানবিক কাজে অর্থ ব্যয় করে থাকি। প্রার্থীদের মধ্যে একমাত্র আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, এমপি নির্বাচিত হলে সম্মানি ভাতাটুকু পর্যন্ত জনগণের কল্যাণে ব্যয় করবো। 
বাঞ্ছারামপুর বার্তা: আমাদের সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
কায়েস সিকদার: বাঞ্ছারামপুর বার্তা পত্রিকার প্রতিও আমার ভালবাসা রইল। এই পত্রিকার মাধ্যমে আমি আবারও বাঞ্ছারামপুরবাসীর কাছে ফুটবল মার্কায় ভোট ও দোয়া চাই।

Side banner 1 Side banner 2