ইরানে ক্ষমতাসীন সরকারের সদস্য ও কর্মকর্তাদের হত্যা করা ‘খুবই সম্মানজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ মন্তব্য করেছেন তিনি।
শুক্রবার ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরানের সন্ত্রাসী সরকারকে সামরিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে এবং আরও বিভিন্নভাবে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিচ্ছি। ইরানের নৌবাহিনী ডুবে গেছে, তাদের বিমান বাহিনী বলতে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং অন্যান্য যেসব সমরাস্ত্র আছে সেসবও শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং এই সরকারের নেতারা একে একে পৃথিবী থেকে বিদায় নিচ্ছেন।”
“আমাদের আছে অতুলনীয় সমরাস্ত্র, সীমাহীন গোলাবারুদ এবং প্রচুর সময়। এই উন্মাদ গোষ্ঠীর কী হয়— আপনারা দেখবেন। গত ৪৭ বছর ধরে তারা নিজেদের দেশ এবং বিশ্বজুড়ে নিরপরাধ লোকজনকে হত্যা করে যাচ্ছে। এখন আমি, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাদের হত্যা করছি। এটা অত্যন্ত সম্মানজনক।”
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো এবং সেসব দেশের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
সূত্র : এএফপি
আপনার মতামত লিখুন : :